


Disability Organization




“সবার সাথে শিখবো” প্রতিবন্ধী সংস্থা পোড়াদহ, মিরপুর, কুষ্টিয়া।
বাল্যবিবাহ রোধকরি সুখি সমৃদ্ধি সমাজ গড়ি
Prevent child marriage and build a happy and prosperous society
তথ্য পেলে জনগণ, নিশ্চিত হবে সুশাসন
If people get information, good governance will be ensured
We all work together to ensure the direct participation of persons with disabilities in the judiciary
বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সবাই মিলে কাজ করি


SHOPON AHAMED
President
Sobar Sathe Sikhbo Disability Organization
Contact: +8801719161395, 01917627938
MD.SOHAL RANA
General Secretary
Sobar Sathe Sikhbo Disability Organization
Contact: +8801793099717
তরুণদের নিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধে কাজ করছে সবার সাথে শিখবো” প্রতিবন্ধী সংস্থা কুষ্টিয়া

এ ক ফ্রেমে দিন বদলের তিন কারিগর - ডিপিএফ কুষ্টিয়া সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান (মাঝখানে), দুইপাশে সবার সাথে শিখবো প্রতিবন্ধী সংস্থার সভাপতি স্বপন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা
কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনে দারুণ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্ল্যাটফর্মস ফর ডায়ালগের প্রথম পর্ব। সেই পরিবর্তনের ধারাকে আরো বড় পরিসরে অব্যাহত রাখতে শুরু হয়েছিল প্রকল্পটির দ্বিতীয় পর্ব।
“প্রথম পর্বে আমরা ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে মাল্টি অ্যাক্টর পার্টনার ও অংশীদার নাগরিক সংগঠনগুলোর সাথে কাজ করেছি। তবে এবার আমাদের কাজ হলো জেলা পর্যায়ে,” বলছিলেন কুষ্টিয়া ডিস্ট্রিক্ট পলিসি ফোরামের (ডিপিএফ) সদস্য স্বপন আহমেদ।
ইউরোপিয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সহায়তায় প্ল্যাটফর্মস ফর ডায়ালগ (পিফরডি) প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রকল্পেরই নতুন উদ্যোগ হলো ডিস্ট্রিক্ট পলিসি ফোরাম। সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রধান চারটি উপকরণ – সিটিজেন চার্টার, তথ্য অধিকার, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের জবাবদিহিতা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সুশীল সমাজ ও জনসাধারণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে এই ফোরাম। দেশের ১২টি জেলায় পিফরডির আওতায় এমন ১২টি পলিসি ফোরাম গঠন করা হয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়ন, বাল্যবিয়ে রোধ ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে কাজ করছে জেলাভিত্তিক এসব ফোরাম। তাদের লক্ষ্য ছিল সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রধান চারটি উপকরণ ব্যবহার করে সহযোগিতামূলক ও ঐক্যবদ্ধ পদ্ধতিতে সমাজ উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশাসন ও সুশীল সমাজের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনা।
কুষ্টিয়ায় ফোরামটি গঠনের লক্ষ্যে পিফরডি প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর রিজভি-উল কবির মোট ১৮ জন এমএপি প্রতিনিধি এবং ২০ জন সুশীল সমাজ সদস্যদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। “অংশীদার নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও মাল্টি অ্যাক্টর পার্টনারদের মধ্য থেকে ১২ জন নির্বাচিত করা হয়েছিল। বাকি আটজন সদস্য বেছে নিতে আমরা এনজিও কর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, উদ্যোক্তাসহ কুষ্টিয়া শহরের প্রায় ২০ জনের সাথে কথা বলেছি।”
কাজ করার জন্য এই জেলার পলিসি ফোরাম বাল্যবিয়ে রোধের বিষয়টি বেছে নিয়েছে। জেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে কুষ্টিয়া ডিপিএফ বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করার পাশাপাশি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালন করেছে।
বাল্যবিয়ে রোধে এসব বৈঠকের কার্যকারিতা সম্পর্কে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূরে সফুরা ফেরদৌস বলেন, “বৈঠকগুলো থেকে পাওয়া পরামর্শ, মতামত ও মন্তব্য আমাদেরকে মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা বুঝতে সাহায্য করেছে। এই বোঝাপড়াই আমাদের কাজকে সহজ করে তুলবে।”

“ডিপিএফের সভা থেকে প্রাপ্ত পরামর্শ, মতামত ও মন্তব্য আমাদের কাজকে আরও সহজ করে তুলছে।” - নূরে সফুরা ফেরদৌস, উপ-পরিচালক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর
তিনি আরও বলেন, "তাদেরকে এখন অনেক বেশি জবাবদিহি ও শুদ্ধাচারের মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়। আপনি এইমাত্র দেখেছেন যে, আমার অফিসের একজন কর্মী এখানে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিই) প্রতিবেদন নিয়ে কথা বলতে এসেছেন। এপিএ হলো জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলেরই একটি অংশ। এখন তথ্য অধিকার ব্যবহার করে যে কেউ আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাইতে পারেন। সিটিজেন চার্টারে উল্লিখিত সেবাগুলো নিতে মানুষ নিয়মিতই আমার কাছে আসছেন।”
বাল্যবিয়ে নিয়ে কাজ করার কারণ জানতে চাইলে ডিপিএফ সদস্য সোহেল রানা জানান, কুষ্টিয়ায় মাতৃমৃত্যুর হার অনেক বেশি। আর মাতৃমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ে। এই সমস্যাকে কেন্দ্র করেই তারা কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সোহেল রানার বক্তব্যে সায় জানিয়ে ডিপিএফ সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বলেন, “আমি যতদূর জানি, বাল্যবিয়ের হারে আমাদের জেলা চতুর্থ।” দশম শ্রেণিতে পড়াকালীন নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন তাসমিন আরা খুশবু। বর্তমানে স্নাতক শ্রেণির এই শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বাল্যবিয়ে বিরোধী লড়াইয়ে অনুপ্রেরণা দিতে তাকে ডিপিএফের দুটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
জেলার সরকারি অফিসগুলোতে জবাবদিহিতা ও শুদ্ধাচার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি যুব, সমাজসেবা, মহিলা বিষয়ক ও তথ্য অধিদপ্তরের জেলা অফিসের সাথেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে ডিপিএফ। এছাড়া, যেহেতু ধর্মীয় নেতারা বিয়ে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, তাই হিন্দু, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের নেতাদের সাথেও কাজ করেছে ফোরামটি।
ডিপিএফের সাথে কাজ করতে পেরে আনন্দিত কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও জেলা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ কমিটির সদস্য মো: এফতে খাইরুল ইসলাম। তিনি বলেন “এ ধরনের কাজ অবশ্যই চালিয়ে যেতে হবে। এতে আমাদের জন্য কাজ করা সহজ হবে।”

The growing NGO movement in Bangladesh has been emphasizing, since the early days, on poverty alleviation through empowerment of men & women. The approach has been a groupbased one with individuals being the units. Shobar Sathe Sikhbo Disability Organization has thought a bit differently. It has taken family rather than individual woman as unit. Shobar Sathe Sikhbo Disability Organization believes that a shift is now required to clearly spell out the importance of the well being of families and importance of family values. This particular emphasis of Shobar Sathe Sikhbo Disability Organization on family rather than individual makes its Mission Statement different from most other organizations.
তিনি প্রথমদিকেই বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান এনজিও আন্দোলনকে পুরুষ ও মহিলাদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের উপর জোর দিয়ে চলেছেন। পদ্ধতিটি এককভাবে ব্যক্তি হিসাবে একক হয়ে উঠেছে। শোবার সাথে শিখবো প্রতিবন্ধী সংস্থা কিছুটা অন্যরকম চিন্তা করেছে। এটি ব্যক্তিগত মহিলার চেয়ে পরিবার নিয়েছে ইউনিট শোবার সাথে শিখবো প্রতিবন্ধী সংস্থা বিশ্বাস করে যে এখন পরিবারের পরিবর্তন ও পারিবারিক মূল্যবোধের গুরুত্বের স্পষ্টরূপে একটি বদল প্রয়োজন। পরিবারের চেয়ে শোবার সাথে শিখবো প্রতিবন্ধী সংস্থার এই বিশেষ জোর তার মিশন বিবৃতিটিকে অন্যান্য সংস্থার চেয়ে আলাদা করে তোলে।


There will be a state where there will be a society free of disabilities, no discrimination against people with disabilities and they will be able to integrate into the mainstream of society.
এমন একটি রাষ্ট্র থাকবে যেখানে অক্ষমহীন একটি সমাজ থাকবে, প্রতিবন্ধীদের বিরুদ্ধে কোনও বৈষম্য নেই এবং তারা সমাজের মূল স্রোতে সংহত হতে সক্ষম হবে।
To establish a unified society through strengthening and uniting the Shelf-help group from grassroots level to ensure participation and inclusion of all disabled people into mainstream society.
সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে মূলধারার সমাজে অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায়ের শেল্ফ-সহায়তা গ্রুপকে শক্তিশালীকরণ ও সংহত করার মাধ্যমে একটি সংহত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।





